বিজ্ঞান কি?

বিজ্ঞান

মানুষ সব সময় তার চারপাশের বিশ্ব নিয়ে কৌতুহলী ছিল। অন্ধকার রাতের আকাশের প্রজ্ঝলিত তারা মানুষকে করেছে হতভম্ব। আর মানুষ সব সময় বিশ্বের আশ্বর্য এই রূপ দেখে চিন্তীত ও একে উদঘাটন করার চেষ্টা করে। কিভাবে দিন ও রাত হয়, বর্ষের পুনরাবৃত্তি ঘটে, আকাশে রংধুনু দেখা যায় ইত্যাদি? এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষ প্রকৃতির ঘটনা উদঘাটন করার প্রচেষ্টায় নেমে পরে এবং সেখান থেকে একেকজন একেকভাবে খুজতে থাকে বিশ্ব প্রকৃতির সব আশ্বর্যকে। এই খোজা খুজির ফসল হলো বিজ্ঞান।

বিজ্ঞান শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ “Scientia” এর অর্থ “জানা”, সংস্কৃত শব্দ “ভিঞ্জ্যান” ও আরবি শব্ধ “ইলম” এরা একই অর্থ প্রকাশ করে। সাধারণ অর্থ “জ্ঞান”।

আর বিজ্ঞান বলতে বুঝায়-

”পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও সন্নিবেশের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে।”

বিজ্ঞানকে দুই শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।

১. ভৌতবিজ্ঞান বা জড়বিজ্ঞান

২. জীববিজ্ঞান

ভৌতবিজ্ঞান বা জড়বিজ্ঞানঃ বিজ্ঞানের যে শাখায় ভৌত তথা জড় পদার্থ অর্থাৎ যাদের জীবন নেই এমন সব বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে ভৌত বা জড়বিজ্ঞান বলে।

ভৌতবিজ্ঞান দুই শ্রেণীতে বিভক্ত।

ক) পদার্থ বিজ্ঞান

খ) রসায়ন বিজ্ঞান

Biology

জীববিজ্ঞানঃ- বিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে জীববিজ্ঞান বা Biology বলে।

জীববিজ্ঞানকে দুই শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়।

ক) উদ্ভিদবিজ্ঞান

খ) প্রাণিবিজ্ঞান

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।