জ্ঞান কি?

জ্ঞান

জ্ঞান এক মহা-মূল্যবান সম্পদ। জ্ঞান ছাড়া কোন কিছু ভাবা বা কল্পনা করা সম্ভব না। জ্ঞানের ফলশ্রুতিতে সমগ্রসৃষ্টি। এখন আপনারা বলবেন এটা হতেই পারে না। “এই যে, আপনারা বললেন হতেই পারে না- এরমানে আপনার জ্ঞান আছে। আর এরফলে আপনি এমন মন্তব্য করতে পারছেন।”

তারমানে আপনাকে স্বীকার করতে হবে জ্ঞানই সবকিছুর উৎস্য। কারণ আমাদের জ্ঞান থাকার ফলে, আমরা একেকজন একেকভাবে একটি বিষয় নিয়ে চিন্তাকরি। কেউভাবে এটা এভাবে হবে বা হয়েছে। আবার আর একজন ভাবে এটা ঐভাবে হবে বা হয়েছে। এই যে, জ্ঞান না থাকলে এমন কিছুই চিন্তা হতো না।

তাই বলা যায় যে,

“জ্ঞান এমন এক বস্তু বা বিষয়, যা থাকার ফলে সমগ্রসৃষ্টি জগতের প্রাণিকূল যার যার ক্ষেত্র থেকে, তার তার কার্য সঠিকভাবে সম্পাদন করছে। জ্ঞানই সকলকর্ম ও সৃজণশীলতার উৎস্য।”

জ্ঞান ভিন্ন এই সৃষ্টিজগত কল্পনা করতে পারবেন না। এমন কি আপনার সুন্দর কর্মগুলোও সৃষ্টি করতে পারতেন না।

বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে বিভিন্নভাবে সৃষ্টিকর্তা বারংবার বলছেন- তিনি মহাজ্ঞানী (আল-ʿআলিম)।কারণ, তাঁহার জ্ঞানের ফসল হচ্ছে এই সুন্দর সুবিশাল সৃষ্টিজগত। সৃষ্টিকর্তার কাছে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বলে কোন কিছু নেই। সবই উনার কাছে বর্তমান, তাঁহার (উনার) জ্ঞানের সীমার শেষ নেই। তিনি আমাদের যে, জ্ঞান দান করেছেন, সেই সামান্য জ্ঞান নিয়ে আমাদের বাহাদুরী। যাই হোক, মনে কিছু নিবে না। যাহারা সৃষ্টিকর্তাতে বিশ্বাসীনন, তাদের বলছি। আপনার জ্ঞান না থাকলে, আপনি এমন চিন্তা করতে পারতেন না।

তাই এখঅনে বুঝা যাচ্ছে জ্ঞান সত্যই মহা-মূল্যবান সম্পদ। এখন আমি নিম্নে উইকিপিডিয়ার কিছু জ্ঞান বিষয়ের লেখা তুলে ধরব।

উইকিপিডিয়া হতে নিম্নোক্ত লেখা সংগৃহিতঃ

জ্ঞান এক কথায় হল পরিচিতি থাকা, কোন কিছু সম্পর্কে বা কারো বিষয়ে জেনে থাকা বা বুঝে থাকা, হতে পারে কোন কিছুর প্রকৃত অবস্থা, তথ্য, বিবরণ, বা গুনাবলী সম্পর্কে জ্ঞান থাকা, যেটি অর্জিত হয়েছে উপলব্ধির মাধ্যমেঅনুসন্ধানের মাধ্যমে বা শিক্ষা গ্রহণের ফলে অভিজ্ঞ হওয়ায় বা পড়াশুনা করে।

জ্ঞান বলতে কোন বিষয় সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক শিক্ষা থাকাকে বুঝায়। এটা বহিঃপ্রকাশ ধরনের হতে পারে (যেমন ব্যবহারিক গুনাবালী সম্পন্ন বা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন) অথবা বহিঃপ্রকাশ ধরনের নাও হতে পারে (যেমন কোনো বিষয়ে শুধু তাত্ত্বিক দিকটি বোঝা); এটা কম বা বেশি ফর্মাল বা নিয়মার্বতিতা সম্পন্ন হতে পারে। দর্শনশাস্ত্রের, জ্ঞান নিয়ে যে অংশটি আলোচনা করে তাকে জ্ঞানতত্ত্ব বলে; দার্শনিক প্লেটো জ্ঞানকে প্রতিষ্ঠানিক ভাবে সংজ্ঞায়িত করেন “প্রমাণিত সত্য বিশ্বাস” বলে, যদিওবা এই সংজ্ঞা নিয়ে অনেক বিশ্লেষক দার্শনিক একমত হন যে সংজ্ঞাটির মধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে, এর কারণ হল গেটিয়ের সমস্যা। যদিওবা প্রচুর সংজ্ঞা রয়েছে জ্ঞানের উপর এবং প্রচুর তত্ত্ব রয়েছে এটির অস্তিত্ব নিয়ে।

জ্ঞান অর্জনের সাথে জটিল মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া জড়িত: উপলব্ধি, সংযোগ এবং যুক্তি; যেখানে জ্ঞানকে মানব মস্তিষ্কের কোনো কিছু বুঝতে পারার ক্ষমতার সাথেও তুলনা করা হয়।

উপরোক্ত লেখা হতে হয়তো আপনারা অনেক কিছু বুঝতে ও জানতে পেরেছেন। আজ থেকে আমরা আমাদের এই “মহাজ্ঞানী” ওয়েবসাইট আপনাদের জন্য উন্মুক্ত করছি এই লেখার মাধ্যমে। আমরা আপনাদের জন্য প্রত্যহ কিছু জ্ঞানমূলক ও বিদ্যাসম্পূন্য তথ্য উপস্থাপন করতে থাকব। আশাকরি আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন। ও হ্যাঁ! আপনাদের মধ্যে হতে কেউ যদি আমাদের সাইটে লিখতে চান বা আপনার বিদ্যা শেয়ার করতে চান। তাহলে আপনি সরাসরি যোগাযোগ ফর্ম এর মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগযোগ করতে পারবেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।