কৃষি অর্থনীতি

‘কৃষি’ ও ‘অর্থনীতি’ শব্দ দুটির সমন্বিত রূপ হচ্ছে কৃষি অর্থনীতি। ইংল্যান্ডে কৃষি বিপ্লবের সময় ‘কৃষি’ ও ‘অর্থনীতি’ দুটি খাতকে এক সাথে বিবেচনা করা হয়। পরবর্তীতে শিল্প বিপ্লবের পর কৃষি থেকে অর্থনীতিকে প্রথকভাবে নিয়ে এর উন্নতি সাধন করা হয়। বর্তমানে কৃষিব্যবস্থা খামার ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত হয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক উৎপাদন করছে এবং শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান যোগান দিচ্ছে।

কৃষি অর্থনীতিঃ অর্থনীতির যে শাখা কৃষি উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের বন্টন সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে তাকে কৃষি অর্থনীতি বলে। অন্যভাবে বলা যা, কৃষি অর্থনীতি হলো অর্থনীতির ঐ অংশ যা কৃষির সাথে জড়িত সব ধরনের সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে পর্যালোচনা করে। যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষি হচ্ছে মূলভিত্তি। সুতরাং কৃষি অর্থনীতি বলতে কৃষি সম্পর্কীয় সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলপ্রসূ কার্যাবলিকে বুঝায়। কৃষি অর্থনীতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদ হিববার্ড তার `Agricultural Economics` গ্রন্থে বলেন, “কৃষি অর্থনীতি এমন একটি বিষয় যা মানুষের কৃষিজ সম্পদের প্রাপ্যতা এবং সম্পদের ব্যবহারের কার্যক্রমের সম্পর্কের উন্নতি সাধন করে।”

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে কৃষি অর্থনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য্ অপরিসীম। কোনো দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হতে হলে সর্বপ্রথম কৃষিখাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো কৃষির ‍উন্নয়ন ঘটিয়ে আজ শিল্পোন্নত দেশে পরিণত হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।